বিজ্ঞানে যৌনভিত্তিক নর-নারীর প্রকারভেদ!
নারী ও পুরুষের সংযুক্ত রতিক্রিয়ায় উভয়ের যে চরম উল্লাস হয় তার অধিকাংশ নির্ভও করে মন ও শরীরের ওপর। মনস্তত্তের দিক দিয়ে বলা যায় নারী ও পুরুষের মন পরস্পরের প্রতি প্রবল হলে এই যৌন সঙ্গমের সূখ খুব উচ্চস্তরের হয়। কিন্তু দেহাংশের ওপরেও এই সুখ কোধ অনেকটা নির্ভর করে। কেননা পুরুষের পুরুষাঙ্গ নারীর যোনির ভেতর প্রবেশ করে ঘর্ষণ করলে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে এবং সেই সময়ই পুরুষের সুখ সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘটে। নারীও যোনি ঘর্ষণে ও তথা থেকৈ রস স্থলনেই অধিক মাত্রায় সুখ অনুভূত হয়। সুতরাং পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য ও নারীর যোনির বিস্তারের ওপরেই নারীর সুখ বোধ নির্ভর করে।
পুরুষের পুরুষাঙ্গ সাধারণত তিন ভাগে বিভক্ত :
১. শশকীয়।
২. বৃষকীয়।
৩. অশ্বকীয়।
১. শশকীয় : এই লিঙ্গের অধিকারী মানুষদের বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট। তাদের মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের হয়। হাত-পা খুব হালকা এবং সুন্দরহ য়। তাদের আত্মসম্মান জ্ঞান থাকে। ্এরা গুরু ও জ্ঞানীজনের ভক্তি থাকে। এদের পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। তারা খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
২. বৃষকীয় : এরূপ ব্যক্তিরাও কিছু পরিমাণে মধুরভাষী হয়। তার ঘাড় গর্দান বলিষ্ঠ, কর্কশ কণ্ঠস্বর, রক্তবর্ণ হস্ত পদ এবং গতি চমৎকার। তাদের ভ্রু খাড়া এবং পেট কচ্ছপাকারে গোলাকার। তাদের পুরুষাঙ্গ নয় আঙ্গুল দীর্ঘ হয়। তাদের বীর্য এবং দেহ থেকে লবণাক্ত আস্বাদ বের হয়।
৩. অশ্বকীয় : এরূপ লোক সাধারণত বাচাল এবং মুখ হয় লম্বা। লম্বা ও সরু কান, মাথা ও অধর ওষ্ঠ সরু। চুল হয় ঘন সন্নিবিষ্ট ও বক্র। হাত পা খুব লম্বা এবং দৃঢ়। তাদের লম্বা আঙলি কিন্তু নখের চেহারা সুগঠিত। তাদের স্বর যেন মেঘ গর্জন এবং তারা দ্রুত পা ফেলে হাঁটে। তাদের পুরুষাঙ্গ প্রায় বারো আঙ্গুল লম্বা হয়ে থাকে।
নারীর যোনিও তিনভাগে বিভক্ত :
১. হরিণী যোনি।
২. ঘোটকী যোনি।
৩. হস্তিনী যোনি।
১. হরিণী : এদের চটুল চক্ষুতে লাল রেখা থাকে। তাদের মুখ পদ্মের মত প্রফুল্ল, বাবলা জাতীয় গাছের ফুলের মত তাদের গাত্র চর্ম কোমল হয়। এদের স্তনও হয় কদন্ত গাছের ফুলের মত গোলাকার বিশিষ্ট ও নরম। পাত্র চর্ম হয় চম্পা পুষ্পের মত শ্বেতবর্ণ। টিয়া পাখীর নাকের মত তাদের নাসিকা তীক্ষè, লম্বা হয়। দন্ত হয় মুক্তার মতো এবং গমনধারা হয় রাজহংসীর মতো। কোকিলের মতো কন্ঠস্বর হয় সুমধুর। হরিণী মত হয় গ্রীব। তারা কথা বলে কম এবং এরা ঘুমায় অল্প। তাদের যোনি ছয় আঙ্গুল গভীর হয়ে থাকে।
২. ঘোটকী : এরা ধৈর্যহীনা হয়। এদের স্তন হয় শিথিল। চক্ষু হয় কাপর্দ ও শ্যামবর্ণ কিন্তু বাঁকা চোখে কটাক্ষ মারতে খুবই পটু। এরা তাড়াতাড়ি হাঁটে। পুরুষের সঙ্গে সহবাসে বড়ই প্রিয় এবং চিমটিতে বড়ই অগ্রসর। সুবিধা পেলে অত্যাধিক মদ্য পান করতে পারে। এদের কন্ঠস্বর কর্কশ এবং চিৎকার প্রবণ। লম্বা লম্বা দাঁত এবং খাঁড়া খাঁড়া চুল এদের বিশেষত্ব। এদের যোনি হয় নয় আঙ্গুল গভীর।
৩. হস্তিনী : এদের গতি ভঙ্গী হস্তিনীর মতো। এদের আঙ্গুল হয় মাংসল এবং বাঁকা বাঁকা। গ্রীবা হ্রস্ব এবং মাংসল হয়ে থাকে। ওষ্ঠাধর হয় পুরু পুরু। নিতম্ব বিশেষ চর্বিযুক্ত প্রচুর খাদ্য খেতে পারে। এরা হস্তিনীর মত নিদ্রা যায়। এদের অঙ্গে বহু লোম থাকতে দেখা যায়। আচরণ হয় নির্লজ্জ। এরা সর্বদাই পুরুষ সহবাসে প্রস্তুত। এদের যোনি খুব প্রশস্ত এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ধারণ করতে পারে।
