নিয়মিত মিলন নারীদের যেভাবে শরীর সুস্থ রাখে!

নিয়মিত মিলন নারীদের যেভাবে শরীর সুস্থ রাখে!

                 নিয়মিত মিলন নারীদের যেভাবে শরীর সুস্থ রাখে!



পুরুষমনে জায়গা করে নেওয়া ছাড়াও যৌনতা নারীকে আরও অনেকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করে। শরীর সুস্থ রাখে। হতাশা দূর করে মন ভালো রাখে। ঠিক কেমনভাবে যৌনতা নারীকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে জেনে নিন।

* স্ট্রেসের দাওয়াই যৌনতা : স্কটল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় বেরিয়েছিল, চাকরির ইন্টারভিউ দিতে কোনও নারীর যদি টেনশনে রাতের ঘুম উড়ে যায়, তার মনে আত্মবিশ্বাস জাগাতে পারে কেবল যৌনতা। শুধু তাই নয়, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার সেক্স করলে স্ট্রেস দূর হয়, সকলের সাথে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মিশতে পারা যায়। এর কারণ সেক্সের সময় নারীশরীর থেকে যে এনড্রোফিন ও অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ হয়, তাতে মস্তিষ্কে আরাম হয়।

* আরামের ঘুম : ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ঘুম এমনিতেই পাতলা। কথায় কথায় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে মেয়েদের। অনেকের তো ঠিকমতো ঘুমটাই হয় না। এর কারণও এনড্রোফিন হরমোনের নিঃসরণ। এতে হয় কী, শরীরের সব গ্লানি মিটে যায়। অনেক শান্তিতে ঘুমনো যায়।

* যন্ত্রণা কমায় : সেক্স না করলে মহিলাদের আরও একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সেটি হল মাইগ্রেন। সেক্সের সময় যে মুহূর্তে এনড্রোফিন হরমোন বেরিয়ে যায়, মাইগ্রেনের পেইন অনেকটাই কমে যায়।

* সর্দি, কাশি থেকে বাঁচায় নিয়মিত সেক্স : প্রতিদিন সেক্স করে যে সব নারী, তাদের শরীরে ইমিউনোগ্লোবিন অ্যান্টিবডির মাত্রা বেড়ে যায়। এই অ্যান্টিবডি নারীশরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সর্দি, কাশি, জ্বরের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই বলি, সর্দি সর্দি ভাব হলে সেক্স করুন। নিস্তার মিলবে।

* সুইট সিক্সটিনের গ্ল্যামার ধরে রাখতে সেক্স : নিয়মিত সেক্স হরমোন নিঃসরিত হলে (টেস্টোস্টেরন ও এস্ট্রোজেন) চেহারায় যৌবন নতুন করে ধরা দিতে পারে। বৈজ্ঞানিক মতে প্রমাণিত, এস্ট্রোজেনের নিঃসরণ ত্বক করে তোলে কোমল।

* লাইট পিরিয়ড, ব্যথা ছড়াই : নিয়মিত সেক্স করলে জরায়ু (uterus) সঙ্কুচিত হয়। পিরিয়ডের সময় রক্তের বেরিয়ে যেতে সুবিধে হয়। জরায়ুতে টিশু তৈরি হয় না, ফলে এন্ডোমেট্রিওসিসের (পিরিয়ড চলাকালীন পেটে যে ব্যথা হয়) সম্ভাবনা কমে যায়।


মেয়েদের স্বপ্নদোষ হয় কিভাবে? কি বলছে গবেষকরা?

মেয়েদের স্বপ্নদোষ হয় কিভাবে? কি বলছে গবেষকরা?

             মেয়েদের স্বপ্নদোষ হয় কিভাবে? কি বলছে গবেষকরা?


স্বপ্নদোষ হল ঘুমন্ত দশায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অর্থাৎ কোন সক্রিয় কর্মকান্ড ব্যতিরেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাগমোচন ঘটা, যেখানে পুরুষ বা ছেলেদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটে এবং মহিলা বা মেয়েদের ক্ষেত্রে শুধু রাগমোচন বা সিক্ততা বা উভয় ঘটে থাকে। স্বপ্নদোষ বয়ঃসন্ধি বা উঠতি তারুণ্যে সবচেয়ে বেশী ঘটে থাকে, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকাল পার হবার অনেক পরেও এটি ঘটতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনিপথ পিচ্ছিল থাকা সকল ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষের বিষয়ে নিশ্চয়তা প্রদান করতে পারে না।

পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের ঘটনা বা স্বপ্নদোসের মত মহিলাদেরও ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে। মেয়েদের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি অতিরিক্ত মাত্রায় টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। বয়ঃসন্ধিকালে অনেক মেয়েরাই প্রথম ঘুমের ভিতরে শারীরিক পুলক অনুভব করে ।আবার অনেকেই প্রথম শারীরিক শিহরণ গ্রহণ করে আঙ্গুল পরিচলনের মাধ্যমে।

মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।

জানেন কি কোন সময় মেয়েদের সহবাসে ইচ্ছা বেশি থাকে?

জানেন কি কোন সময় মেয়েদের সহবাসে ইচ্ছা বেশি থাকে?

            জানেন কি কোন সময় মেয়েদের সহবাসে ইচ্ছা বেশি থাকে?   



নারীদের যৌন উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ২৬ বছর বয়সে। এছাড়া পুরুষদের যৌনতা চরমে পৌঁছে ৩২ বছরের পর। সম্প্রতি সান ফ্রান্সিসকোর এক সমীক্ষায় যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

তবে সমীক্ষাটি বেশি বড় আকারের ছিল না। এ সমীক্ষায় ১৮-৬৫ বছর বয়সের মাত্র এক হাজার প্রাপ্তবয়স্কের মতামত নেওয়া হয়। আয়োজনটির উদ্যোক্তা আটলান্টার সেক্স খেলনা প্রস্তুতকারক কোম্পানি লাভহানি ডটকম।

অন্যদিকে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির এই সমীক্ষায় এটাও বলা হয় যে, সান ফ্রান্সিসকোর নারীরা তাদের জীবনে ২৪ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি যৌনতা উপভোগ করেন। সে ক্ষেত্রে পুরুষরা যৌনতার আস্বাদ গ্রহণ করেন ২৭ বছরের পরবর্তী সময়ে। সমীক্ষায় দেখা যায়, অধিকাংশ নারীই যৌনতার প্রথম স্বাদ গ্রহণ করেছেন ১৮ বছরের পর। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আবার পুরুষরা ১৭ বছরের গোড়ার দিকেই প্রথম যৌন উত্তেজনা অুভব করেছেনে। দেখা যায়, পুরুষদের প্রথম যৌন অনুভূতি উপভোগ করার পর প্রায় ১৫ বছর পরে তারা যৌনতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে নারীরা প্রথম যৌনতার আস্বাদ নেয়ার ১০ বছর পরই যৌনতাকে চূড়ান্তভাবে উপভোগ করতে পারেন।

মেয়েদের মিলনে কখন চরম তৃপ্তি আসে ?

মেয়েদের মিলনে কখন চরম তৃপ্তি আসে ?

                     মেয়েদের মিলনে কখন মেয়েদের চরম তৃপ্তি কখন আসে?



মেয়েদের চরম তৃপ্তি কখন আসে? মানে ধরুন একজন মেয়ে হিসাবে কীভাবে বুঝব যে আমার আরগাজম হয়েছে বা হচ্ছে? শোনা গেছে বেশিরভাগ নারীই জানেন না অরগাজম কী- আসলেই কি তাই? অরগাজম হওয়ার কোন পূর্বলক্ষণ আছে কি? ফিলিংসটা আসলে কেমন হয়? আসুন জানা যাকঃ

যৌন মিলনের শেষ পর্যায় হচ্ছে অরগাজম বা চরম তৃপ্তি। নারীদের জন্য অরগাজম একেবারেই অন্য রকম একটা অনুভব। আপনার পরিচিত অন্য কোন অনুভবের সাথে এটার মিল খুঁজে পাবেন না। হ্যাঁ, এ কথা সত্যি যে আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক নারীর অরগাজমের সাথে পরিচয় নেই। এমনকি তাঁরা জানেন পর্যন্ত না অরগাজমের ব্যাপারে। কেননা পুরুষের চাইতে নারীর অরগাজমটা একটু ভিন্ন। পুরুষের অরগাজম যত সহজে আসে, নারীর ক্ষেত্রে তেমনটা হয় না। নারীর অরগাজমে সময় ও যৌন মিলনের সঠিক পজিশন প্রয়োজন।

পুরুষ যেমন বীর্যপাতের কয়েক মুহূর্ত আগে টের পান, নারীর ক্ষেত্রেও তাই। যৌন মিলনের সময় অরগাজম হবার কয়েক মুহূর্ত আগেই বুঝতে পারবেন যে চরম মুহূর্ত উপস্থিত হতে যাচ্ছে। আপনার হার্ট বিট বেড়ে যেতে শুরু করবে, মুখে রক্ত জমবে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে যাবে, কেউ কেউ ঘামতেও শুরু করবেন। তবে সবচাইতে নিশ্চিত ব্যাপারটি হচ্ছে নিজের যোনিতে এমন একটা উত্তেজনাময় অনুভব তৈরি হবে যেটা আগে কখনো অনুভব করেননি। এক রকমের অসহ্য আনন্দ। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই অনুভবের পর ভীষণ ক্লান্তি অনুভব করবেন আর যোনির পিচ্ছিল ভাব কমে গিয়ে যোনি শুকিয়ে আসবে। পিপাসা বোধ করতে পারেন, ক্লান্তিতে ঘুম আসবে, হুট করেই যৌন মিলনের আগ্রহ হারিয়ে যাবে, শরীর কাঁপতে পারে আবেশে, যোনির ভেতরে কম্পন অনুভূত হতে পারে।

মেয়েদের যৌনতার কিছু তথ্য পুরুষের জেনে রাখা দরকার!

মেয়েদের যৌনতার কিছু তথ্য পুরুষের জেনে রাখা দরকার!

            মেয়েদের যৌনতার কিছু তথ্য পুরুষের জেনে রাখা দরকার!



অনেক পুরুষেরই মেয়েদের যৌনতা নিয়ে তেমন কোনো ধারণা থাকে না ফলে বৈবাহিক জীবনে অনেক ভুল করে বসেন। তাছাড়াও অন্যান্য কিছুৃ ব্যাপারেও পুরুষের এসব জেনে রাখা দরকার। কারণ পুরুষ ও নারী অনেক কিছুর পার্থক্য রয়েছে। তাহলে দিখে নিন এমনই কিছু তথ্য।

১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।

২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্যপাত হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।
৬. যৌনি পথে পুরুষ লিঙ্গ প্রবশে করালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা লিঙ্গের চেয়ে মোটা লিঙ্গ মজা বেশী। লম্বা লিঙ্গে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের যৌনিতে সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, লিঙ্গের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় লিঙ্গের দরকার হয় না।

হঠাৎ শারীরিক মিলন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়!

হঠাৎ শারীরিক মিলন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়!

                 হঠাৎ শারীরিক মিলন বন্ধ করলে মেয়েদের যা হয়!



স্বামীবিয়োগ, বিবাহবিচ্ছেদ, ব্রেকআপ বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে যৌনতা হারিয়ে যেতে পারে নারীর জীবন থেকে। এতে অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয় নারীশরীর। মানসিক দিক থেকে সুখ ও শান্তি চলে যায়। অনেক সমস্যা দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভালোও হয়। ভালো-মন্দ মিলিয়ে সেক্স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী পরিবর্তন আসে জেনে নিন –

* আগের চেয়ে অনেক বেশি উতলা করে তোলে : আমরা সবাই জানি, যৌনতা হতাশা, হাঁহুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অজ্ঞাত কারণে যদি নারীর জীবনে সেক্সের চ্যাপ্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। কথায় কথায় মন খারাপ, কিছু ভালো না লাগা, কারণে অকারণে অতিরিক্ত রাগ জন্মাতে শুরু হতে পারে। মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেও শুরু করে দিতে পারেন সেই নারী। স্কটিশ গবেষকদের পরীক্ষায় জানা যায়, সেক্স বন্ধ হয়ে গেছে এমন মহিলাদের নাকি লোকের সঙ্গে কথা বলতেও অসুবিধে হয়। এর কারণ, সেক্স করার সময় মস্তিষ্ক থেকে যে ফিল গুড কেমিক্যাল এন্ডোর্ফিন ও অক্সিটোসিন নিঃসরিত হয়, তা বন্ধ হয়ে যাওয়া।

* সর্দি কাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় : সেক্স করলে শরীরে রোগ-জীবাণুর প্রবেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। অর্থাৎ, শরীরে রোগপ্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। পেনসিলভেনিয়ার উইলকিস-বারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, সপ্তাহে অন্তত দু’বার সেক্স করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ (ছোটো করে বললে, ওমঅ। এই হরমোনের নিঃসরণ শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়) হরমোনের পরিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়। কিন্তু সেক্স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কমজোরি হয়ে পড়ে নারীশরীর। সর্দি, কাশির সমস্যা শুরু হয়।

* ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI) হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় : সঙ্গমের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূত্রনালীতে সংক্রমণ হতে পারে। প্রস্রাবের সময় জ্বালা-যন্ত্রণা শুরু হতে পারে তখন। কিন্তু সেক্স করা বন্ধ হয়ে গেলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

* সেক্স করার ইচ্ছে চলে যেতে পারে : যাঁরা মনে করেন, নিয়মিত সেক্স করার অভ্যাসে একবার দাঁড়ি বসলে, কামনা-বাসনার লাগাম ছাড়িয়ে যায়। তা হলে তাঁরা ভুল জানেন। সেক্স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মিলিত হওয়ার বাসনা কমে যায়। এটা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শরীরে উত্তেজনা লোপ পেতে শুরু করে। একটা সময় পর আর কামেচ্ছা জাগে না।

* হৃদয় হার মানতে শুরু করে হরমোনের কাছে : দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, সেক্স করলে হৃদয় ভালো থাকে। হরমোনের নিঃসরণ যথাযথ পরিমাণে হতে থাকে। কিন্তু অনেকদিন সেক্স বন্ধ থাকলে হৃদযন্ত্রে নেতিবাচক সমস্যা তৈরি করতে পারে। শরীর কমজোরি হয়ে পড়ে। নিয়মিত এক্সারসাইজ় করলে বা ট্রেডমিলে দৌড়ালেও লাভ হয় না।

* বুদ্ধি কমে যায় : নিয়মিত সেক্স করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ বন্ধ হয় যায়, তবে বুদ্ধি লোপ পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লান্তি, হতাশা মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যার ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় স্মরণশক্তি। সবকিছু ভুলে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হতে থাকে। আর এর জন্য দায়ি একমাত্র সেক্স থেমে যাওয়া।

যেভাবে মেয়েদের স্তনের সৌন্দর্য বাড়ানো সম্ভব!

যেভাবে মেয়েদের স্তনের সৌন্দর্য বাড়ানো সম্ভব!

              যেভাবে মেয়েদের স্তনের সৌন্দর্য বাড়ানো সম্ভব!




নারীর শারীরিক সৌন্দর্যের মূলে রয়েছে তার বক্ষ যুগল। সুন্দর আকৃতির নিটোল স্তন সব মেয়েদেরই কাম্য। শুধু নারীর কাছেই নয়, উন্নত বক্ষ যুগল পুরুষের চোখেও যেকোনো নারীকে অনেক বেশি আবেদনময়ী আর আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। কিন্তু আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে নারীরা নিজের শরীরের প্রতি খুব কমই যতœ নিতে পারে। তাই সম্মুখিন হতে হয় নানা সমস্যার। আর এতে করে শরীরের অন্যান্য অংশের মতো স্তনের আকৃতিও নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু কীভাবে সুরহা করবেন এই সমস্যার?

সৌন্দর্যের বিকাশে নারীর বক্ষের মূল্য অপরিসীম। স্বাভাবিক ভাবে জন্মগত গঠনের পর মেয়েরা বক্ষের সৌন্দর্য বাড়াতে পারেন সামান্য পরিচর্চার মাধ্যমে। মেয়েরা এখন আধুনিক যুগে পোশাক পরা নিয়ে আর পিছপা হয় না। পিঠ খোলা, বুককাটা, হাতকাটা নানান পোশাক পরতে ভালোবাসে মেয়েরা। অনেক সময় এইসব পোশাক পরে অনেককে ভালো লাগে আবার অনেককে মানায় না।


কেননা ১২-১৬ বছর বয়সের মধ্যে মেয়েদের স্তনের বৃদ্ধি ঘটে। মেয়েদের স্তনের আকার বিভিন্ন হয়। এই স্তনের পরিচর্চা ঠিকমত না করলে শিথিল হয়ে ঝুলে পরতে পারে। কারো কারো শরীরের অনুপাতে বুক ছোট হয়, আবার কারো অল্প বয়সেই বুক বৃহদাকার হয়।
ছোট বুক যেমন কোন নারীর সৌন্দর্য বিকাশে সহায়ক হয়না, তেমনই শরীরের তুলনায় অনেক বড় বুক বড় বেমানান লাগে। এইসব কারণে হরেক রকমের পোশাক পরেও সৌন্দর্যময়ী নারীরূপে নিজেকে তুলে ধরতে পারে না। তাই স্তন সঠিক রাখতে ও সৌন্দর্য্যময় করে গড়ে তুলতে প্রাত্যহিক ব্যায়াম আবশ্যক। ব্যায়ামের প্রয়োজনের সাথে কিছু যতেœরও প্রয়োজন আছে।

# স্তন শিথিল হওয়ার কারণ:
* খাদ্য গ্রহণের পরিমানের ঠিকমত অভাব
* নারীর ওজন কমে গেলে
* অতিরিক্ত পরিশ্রম
* বেশি শ্রমযুক্ত খেলাধুলা করলে অনেক সময় স্তনের ফ্যাটিটিস্যু কমে যায়
* প্রতিদিন গরম দিয়ে গোসল করলে
* বেশি বয়সে হরমোন জনিত কারণে

# কীভাবে স্তনের শিথিলতা দূর করা যায়: স্তনের পরিচর্চার প্রথম ধাপ হল ম্যাসাজ। ১৮ বছরের পর থেকে রোজ স্তন ম্যাসাজ করলে শিথিলতা দূর করা যায়। স্নান করার আগে হালকা করে তেল মাখবেন। তারপর সাবান মেখে স্নান করবেন। ঋতু চলাকালীন স্তন ম্যাসাজ করবেন না।

# ম্যাসাজের পদ্ধতি:
* ডান দিকের স্তনে বাঁ হাত রাখুন। হাতের তালুর চাপ দিয়ে ধীরে বুকের উপর দিয়ে কাঁধ পর্যন্ত ম্যাসাজ করুন।
* হাতের তালু দিয়ে বৃত্তাকার গতিতে স্তন দুটি ম্যাসাজ করুন।
* দুই স্তনের উপর আলতো হাতে আঙ্গুল জড়ো করে আলতো করে চাপড় মারুন।
* স্তনের তলার দিকে হাত দিন। তারপর স্তনের তলা থেকে হাত দুটি গোলাকারে গলার কাছে ঘুরিয়ে তুলে আনুন। এবার কাঁধের দিক থেকে নীচে বাহুর মূল পর্যন্ত পিঠের দিকে নামান। এইভাবে প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।

মনে রাখবেন সন্তানকে দুধ পান করানো স্তনের পক্ষে উপকারী। কারণ- শিশু যখন দুধ পান করে তখন স্তনের বৃন্ত লম্বা হয়ে যায় এবং শিশু চুষে দুধ বার করার জন্য পেশিতে সংকোচন ও প্রসারণ হয়, ফলে স্তনের ব্যায়াম হয়। এর ফলে স্তন সুগঠিত হয়।

# স্তন পরিচর্চার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি:
* ব্রা পরবেন সঠিক মাপের এবং ভালো কোনো কোম্পানির।
* ব্রা ব্যবহার করার পর রোজ সাবান জলে ধুয়ে তারপর ডেটল জলে চুবিয়ে মেলে দেবেন।
* রাতে শোয়ার সময় ব্রা খুলে শোবেন।
* খুব টাইট বা খুব ঢিলে ব্রা পরবেন না।
* স্তনের তলা বার বার মুছে ভালো পাউডার লাগাবেন। ঘাম জমতে দেবেন না।

উল্লেখিত পদ্ধতিতে আপনি আপনার বক্ষ যুগলকে আরো সুগঠিত এবং আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। মনে রাখবেন আপনার স্তনই আপনার সৌন্দর্য্য প্রকাশের অন্যতম বাহন।

এই খাবারগুলো খান আর উপভোগ করুন দারুন যৌনজীবন !

এই খাবারগুলো খান আর উপভোগ করুন দারুন যৌনজীবন !

            এই খাবারগুলো খান আর উপভোগ করুন দারুন যৌনজীবন !


সেক্সের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের এক দুর্দান্ত যোগসূত্র রয়েছে। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা আপনার যৌন চাহিদাকে বাড়িয়ে তুলবেই। তাই আর দেরি না করে বরং এবার সেই খাবারগুলো ট্রাই করুন। এবং উপভোগ করুন দারুন যৌনজীবন।

* জাফরান: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্রোকেটিন, ক্রোসিন, স্যাফরানাল যৌনাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তোলে।

* বাদাম ও তিল : যৌন চাহিদা বাড়াতে তুরুপের তাস। আমন্ড ও তিলে থাকে সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন E । সেলেনিয়াম বন্ধ্যাত্ব রোধ করে। জিঙ্ক শরীরে সেক্স হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। ভিটামিন E বাড়ায় রক্ত সঞ্চালন।

* ব্ল্যাকবেরি ও ডুমুর :  প্রচুর পরিমাণে ফাইটোকেমিক্যাল থাকে। যা বাড়িয়ে তোলে যৌনক্ষমতা।

* স্ট্রবেরি ও তরমুজ : অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সম্ভার। বাড়িয়ে তুলবে উদ্দীপনা। স্ট্রবেরিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন C। যা স্পার্ম কাউন্ট বাড়িয়ে তোলে।

* চকোলেট : চকোলেটের ম্যাগনেশিয়াম আপনার মনকে হাল্কা করে। তৈরি করে সঠিক মুড। ডার্ক চকোলেটে থাকে ফেনাইলেথাইল্যামাইন। যা যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তুলবেই তুলবে। তাই ফ্রিজ ভর্তি থাকুক চকোলেট বারে। আর রাত হয়ে উঠুক রঙিন।

* স্যালমন : প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক শরীরে ঢুকবে। যা টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বাড়াবে।

ছেলেদের এই গুণ মেয়েদের প্রেমে ফেলবেই

ছেলেদের এই গুণ মেয়েদের প্রেমে ফেলবেই

                   ছেলেদের এই গুণ মেয়েদের প্রেমে ফেলবেই


মেয়েদের মন আসলে কি চায় ছেলেদের পক্ষে বোঝা সত্যই কষ্টকর। তবে ছেলেদের মধ্যে কিছু গুণ প্রায় সব মেয়েরা খুজে যা একটি ছেলের মধ্যে থাকলে মেয়েরা তাকে ভালো না বেবে পারেন না। দেখে নিন গুণ গুলো কি কি-

* মনের জোর বাড়াতে পারা : মেয়েরা চায় এমন কোনও পুরুষকে যারা পাশে থেকে মনের জোর বাড়াতে পারে। মেয়েদের মনের জোর অনেক। কিন্তু সেই মনের জোর আরও বাড়ানোর জন্য পাশে কাউকে পেলে সে অনেক বড় কিছু করতে পারে। মেয়েরা চায় সব পরিস্থিতিতে এমন কোনও পুরুষ থাকুক যারা তাদের মনের জোর বাড়াবে।

* যদি লেখক, কবি, চিত্রকর অথবা শিল্পী হন : মেয়েরা সৃজনশীল বা ক্রিয়েটিভ মানুষদের বেশি পছন্দ করে। যে কারণে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে লেখক, কবি, চিত্রকর বা পরিচালক-অভিনেতাদের প্রেমিকার সংখ্যা সাধারণত বেশি হয়। আসলে মেয়েদের একটা আলাদা জগত্ থাকে, সেই জগত্টা সৃজনশীলতার, নতুন কিছু করার। তাই সৃষ্টিশীল মানুষদের সঙ্গে মিশলে মেয়েরা বাড়তি অক্সিজেন পায়, প্রেমেও পড়ে।

 * যে মেয়েকে তার মতই থাকতে দেয় : একজন মেয়ে চায় সে তার মত থাকবে। অবশ্য নিয়মশৃঙ্খলা মানবে, কিন্তু কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া নয়। যার সঙ্গে কথা বলতে ভাললাগে, তার সঙ্গে কথা বলবে, মিশবে। যা খেতে-পরতে ভাললাগে তাই করবে। তুমি এটা করো না, ওটা করো না, এর সঙ্গে কথা বলো না। এসব কথা শুনতে মেয়েরা ভালবাসে না। রাজপুত্র আর রাক্ষুসীর গল্পটি মনে করুন, দেখবেন মেয়েদের পছন্দ বুঝতে পারবেন।

* ভাল শ্রোতা, স্পষ্ট বক্তা : মেয়েরা বলতে খুব ভালবাসে। সমীক্ষা বলছে, ছেলেদের থেকে মেয়েরা সাধারণত ভাল বক্তা হয়। মেয়েরা চায় একজন ভাল শ্রোতা। তবে সবসময় হ্যাঁ-তে হ্যাঁ, না তে না বলা নয়, মেয়েরা চায় তার পুরষ সঙ্গিটি যেন ভাল শ্রোতা হয়ে কথার রসদ জোগান। ভাল শ্রোতার পাশাপাশি স্পষ্ট বক্তা ছেলেদের, মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। পেটে এক আর মুখে আরেক সেরকম পুরুষ মেয়েদের পছন্দ নয়।

* যে কোনও পরিস্থিতিতে যার হাসানোর ক্ষমতা থাকে : মেয়েরা চায় সেন্স অফ হিউমার বা কৌতূকবোধ থাকা ছেলেদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। গুরুগম্ভীর নয় মুখে সবসময় হাসি থাকা মানুষই মেয়েদের কাছের লোক হয়। কোনও মেয়ে কোনও ছেলেকে ভালবাসলে তার প্রাথমিক শর্ত ছেলেটার মুখের হাসিটা। আর তার হাসানোর ক্ষমতাটা। বুদ্ধিদীপ্ত কিছু হাসির কথা, কিংবা সঠিক সময়ে মজার কিছু কথা বলে ফেলা পুরুষদের মেয়েরা নিজের অজান্তেই পছন্দ করে ফলে। তারপর সেই পছন্দটা ভাললাগায় পরিণত হতে পারে।

নানা ধরনের সমীক্ষা বলে এসবের পাশাপাশি সাধারণত অর্থবান, সফল, শিক্ষিত ও দীর্ঘকায় পুরুষদের পছন্দ মেয়েদের।


“সব পুরুষই এক” কথাটা কি ঠিক? দেখে নিন রাশিভেদে পুরুষ কেমন!

“সব পুরুষই এক” কথাটা কি ঠিক? দেখে নিন রাশিভেদে পুরুষ কেমন!

        “সব পুরুষই এক” কথাটা কি ঠিক? দেখে নিন রাশিভেদে পুরুষ কেমন!



* নারীদের প্রচলিত একটি উক্তি হলো, “সব পুরুষই এক”! কিন্তু আসলেই কি তাই? সব পুরুষকে একই দৃষ্টিতে দেখা যাবে না। তাঁদের সবার চরিত্রে বৈচিত্র্য রয়েছে। আর সব পুরুষের মন যে এক নয়, তা বলাই বাহুল্য। পুরুষ বলেই যে তার মাঝে রহস্য থাকবে না, এমনটা চিন্তা করবেন না মোটেই। কিন্তু কি করে জানবেন একজন পুরুষ কি চিন্তা করছে? আপনার প্রতি তার আচরণ কেমন হতে পারে, সেটাই বা জানবেন কি করে? জানার উপায় হলো তার রাশি।

প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিত্ব আলাদা। কিন্তু রাশির ওপর ভিত্তি করে একজন মানুষের ব্যক্তিত্বে দেখা যেতে পারে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্য আবার লিঙ্গ ভেদে আলাদা হয়। যেমন মেষ রাশির নারী যে কাজটি করবে, একই রাশির পুরুষ হয়তো সেই কাজটি করবে না। এই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে দেখে নিন কোন রাশির পুরুষ কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন।

মেষ (মার্চ ২১-এপ্রিল ১৯) : মেষ রাশির পুরুষের মাঝে ধৈর্য একটু কমই দেখা যায়। ব্যক্তিগত জীবন হোক আর কর্মজীবন হোক, যে কোনও কাজের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেন তারা। আর যে কোনও রকমের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া (এবং তাতে জয় পাওয়া) তার জন্য নিত্যদিনের ব্যাপার। নিপাট নম্র-ভদ্র ভালোমানুষি করার মাঝে নেই তিনি। নিজের বিবেচনা অনুযায়ী, নিজের মর্জি মতো চলতে তিনি ভালবাসেন। তাকে ঘিরে একটা প্রচ্ছন্ন বিপদের আভা টের পাওয়া যায়, যেটা অনেক নারীর কছেই আকর্ষণীয়। “খারাপ ছেলে” ভাবটা নিজের মাঝে ফুটিয়ে তুলতে সিদ্ধহস্ত তিনি আর এর জন্যেও নারীরা আকৃষ্ট হয় তার প্রতি।

বৃষ (এপ্রিল ২০- মে ২০) : নিজের কথাই শেষ কথা এবং যে যাই বলুক না কেন, নিজের সিদ্ধান্ত থেকে একচুল নড়তে রাজি নন বৃষ। কাজের প্রতি তাদের মনোযোগ অনেক বেশি থাকে। তিনি হয়ে থাকেন বিচক্ষণ এবং পুরনো ধাঁচের মানসিকতার। তার জীবনের লক্ষ্য হলো সুখে ঘরসংসার করা। তার দৈনন্দিন রুটিন হয়ে থাকে সাধারণ এবং গোছালো। “মাটির মানুষ” বলতে যা বোঝায়, সেটাই হলেন তিনি।

মিথুন (মে ২১- জুন ২১) : চমৎকার কথার জাল বুনে আপনাকে তাক লাগিয়ে দেবেন মিথুন রাশির পুরুষ। আর এই কথা কিন্তু অযথা গালগপ্পো নয়। একটু মন দিয়ে শুনলেই তার মাঝে বুদ্ধির ঝিলিক দেখতে পাবেন আপনি। সে কখনোই আপনাকে বোর করবে না। তার মাঝে কখনো দেখতে পাবেন একেবারেই সহজ সরল মনের প্রকাশ, কখনো আবার তার মাঝে থেকে উকি দেবে খুব উঁচুদরের মানসিকতা। তিনি যে কোনও ভালো খারাপ উভয় দিক দেখতে পারদর্শী। তিনি অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন বটে। তবে মুদ্রার ওপিঠে রয়েছে একটু ভুলোমনা মানুষ, যে কিনা সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তার মেজাজও পরিবর্তন হয় খুব দ্রুতই। সামাজিক এবং বহুরূপী এই পুরুষের রয়েছে যে কোনও সমস্যা সমাধানের দুর্লভ বৈশিষ্ট্য।

কর্কট (জুন ২২- জুলাই ২২) : একটু লাজুক এবং রহস্যময় কর্কট পুরুষ। তার চরিত্র চাঁদের দ্বারা প্রভাবিত। প্রথম দেখায় খুব চুপচাপ মনে হতে পারে তাকে। কিন্তু তার কাছাকাছি আসতে পারলে তবেই নিজের খোলস থেকে বের হবেন তিনি এবং আপনি অবাক হয়ে আবিষ্কার করবেন তিনি কত চমৎকার একজন মানুষ। কিন্তু যতই নম্র হন না কেন, কর্কট পুরুষকে জোর করে কোনও কিছু করানো যাবে না, হিতে বিপরীত হবে তাতে। অনেক রকম অনুভূতি দেখা যায় তার মাঝে। তিনি মাঝে মাঝে হয়ে উঠতে পারেন একটু মারমুখী, কিন্তু সেটা নিজের আত্মরক্ষার জন্যই। কষ্ট পেলে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। কিন্তু তার দেয়ালের পেছনে রয়েছে নিখাদ একজন ভদ্রলোক। তারা পরিবারের প্রতি অনুগত হয়ে থাকেন এবং তাদের লক্ষ্য থাকে পরিবারের সুখের প্রতি। অনেক সময় তাদের মাঝে অন্যদের মন বুঝে ফেলার ক্ষমতা লক্ষ্য করা যায়।

সিংহ (জুলাই ২৩- অগাস্ট ২২) : সিংহ রাশির কোনও পুরুষের আগমন আগে থেকেই টের পেয়ে যাবেন আপনি। তারা নিজেদের উপস্থিত জানান দিতে ভালোবাসে, সেটা হাঁকডাকের মাধ্যমেই হোক বা অন্য কোনও উপায়েই হোক। তাকে ঘিরে থাকে শক্তিশালী, উষ্ণ একটি আভা। জন্মগতভাবেই তিনি নেতৃত্ব দিতে পারদর্শী। অন্যদের সাথে মিলেমিশে কাজ করতে তিনি ভালবাসেন। তিনি নিজের বন্ধুমহলে সুপরিচিত এবং বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকেন বটে। তবে তিনি একটু একগুঁয়ে হয়ে থাকেন। অন্যদের পরামর্শ না শুনে নিজেই ঠিক করে ফেলেন কি করা উচিৎ। সবার মনোযোগের মধ্যমণি হয়ে থাকতে ভালবাসেন তিনি। তিনি একটু মেজাজি হয়ে থাকেন বটে, তবে যত গর্জে তত বর্ষে না। সবকিছুর নিচে সিংহ পুরুষ আসলে বেড়ালের মতোই আদুরে এবং তার সাথে একটু মিষ্টি আচরণ করলে তিনিও থাকবেন একেবারে খোশ মেজাজে।

কন্যা (অগাস্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২) : কন্যা রাশির নারী যেমন একেবারে তুলতুলে নারী নয়, তেমনি এই রাশির পুরুষকে মেয়েলি ভাবলেও ভুল করবেন। তিনি হয়ে থাকেন কঠোর পরিশ্রমী এবং তার ওপরে দেওয়া কাজের শেষ দেখেই ছারেন তিনি। যে কোনও কাজ নিখুঁত করে করতেও তার তুলনা নেই। খুঁটিনাটি বিষয়েও তার পূর্ণ মনোযোগ থাকে। অন্যকে সাহায্য করতেও তিনি সিদ্ধহস্ত। কন্যা রাশির পুরুষ হয়ে থাকেন সুবিচারি এবং ন্যায়পরায়ন। ভদ্রতা এবং নিষ্পাপতার মতো দুর্লভ গুণ দেখা যায় তার মাঝে। তবে তিনি হয়ে থাকেন একটু ছটফটে। মাঝে মাঝে নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন তিনি, কিন্তু তার কাজের মধ্য দিয়েই আবার সেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পান নতুন করে।

তুলা ( সেপ্টেম্বর ২৩- অক্টোবর ২২) : শুধু নিজের জন্য নয়, বরং অন্য সবার জন্য সবসময় চিন্তা করে থাকেন তুলা রাশির পুরুষ। সবাইকেই খুশি রাখতে চান তিনি। তিনি হয়ে থাকেন শান্তিপ্রিয় এবং সবার মাঝে সম্প্রীতি বজায় রাখতে চেষ্টা করেন। সবদিক চিন্তা করার কারণে তিনি দ্রুত কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। কিন্তু যখন তিনি সিদ্ধাত নিয়ে ফেলেন তবে সেটা মেনে চলাই উত্তম। যে কোনও পরামর্শের জন্য তুলা রাশির বন্ধুটির সাহায্য নিতে পারেন আপনি। তিনি কোনও রকমের পক্ষপাতিত্ব দেখাবেন না। তুলা রাশির পুরুষের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। সুন্দর কোনও বস্তু, ঝকঝকে নতুন একটি গাড়ি বা নতুন মডেলের ফোন- এ সবই তার পছন্দ। সুন্দর মানুষও তিনি ভালবাসেন। আরও ভালবাসেন সাহিত্য। সভ্য ও রুচিশীল পুরুষের সব গুণই আপনি খুঁজে পাবেন তার মাঝে।

বৃশ্চিক (অক্টোবর ২৩- নভেম্বর ২১) : বৃশ্চিক রাশির পুরুষকে তুচ্ছ করে দেখবেন না কখনোই। অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে সাধারণত মাথা ঘামান না তিনি। “সিরিয়াস” ধরণের এই মানুষের দৃষ্টিতে পৃথিবীতে রয়েছে শুধুই ভালো এবং শুধুই খারাপ, এই দুইয়ের মাঝামাঝি কিছু নেই। তিনি একা একা থাকতে পছন্দ করেন। সোজাসাপ্টা প্রশ্ন করতে তার জুড়ি নেই। আর এই প্রশ্নের উত্তর গ্রহণ করার ব্যাপারেও তিনি সতর্ক।
বৃশ্চিক পুরুষ নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে নেওয়ায় বিশ্বাসী। তিনি নিজের জীবনটাও পরিচালনা করে চলেন নিজের নিয়মে। যুদ্ধে একবার হেরে গেলেও তিনি চেষ্টা করে যান বারবার। স্বাধীনচেতা, নির্ভীক, কঠোর পরিশ্রমী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী এই পুরুষ সহজেই জীবনে এগিয়ে যেতে পারেন। নিজের জীবনের ব্যাপারে অন্য কাউকে জানাতে পছন্দ করেন না তিনি, পছন্দ করেন প্রাইভেসি। খুব দ্রুত তার কাছের মানুষ হয়ে যাবার আশা বা চেষ্টা কোনটাই করবেন না। তিনি এমন এক পুরুষ যাকে পোষ মানানো যায় না। বেশ মেজাজি হয়ে থাকেন তারা, কষ্ট পেলে তার স্মৃতি মনে রাখেন বহুদিন। কিন্তু সময় নিয়ে তাকে জানার চেষ্টা করলে দেখতে পাবেন, আপনার জীবনের সবচাইতে স্পর্শকাতর এবং জ্ঞানী মানুষটি সম্ভবত তিনিই।

ধনু (নভেম্বর ২২ থেকে ডিসেম্বর ২১) : জীবনের পথে কখনই স্থির হয়ে থাকে না ধনু পুরুষ, তারা সর্বদাই ভ্রমণরত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা পথভোলা। সত্য, সৌন্দর্য এবং জ্ঞানের অন্বেষণেই তাদের এই ভ্রমন। এ কারণে ব্যক্তি হিসেবে তাদেরকে অনেকটা ছাড় দিতে হয়। সম্পর্কের শৃঙ্খলে বেঁধে রাখতে গেলে তারা নিজেদের বন্দি মনে করেন এবং শৃঙ্খল ভেঙে চলে যান। কিছুটা দার্শনিক মনোভাবের ধনু সবকিছু চিন্তা করে গভীরভাবে। তিনি অন্যের কথা মন দিয়ে শুনতে পছন্দ করেন। মাঝে মাঝে তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন খুব বেশি দ্রুত। কিন্তু যে কোনও পরিস্থিতিতে তারা থাকতে পারেন আশাবাদী।

মকর ( ডিসেম্বর ২২- জানুয়ারি ১৯) : মকর পুরুষকে দেখে যতই শান্তশিষ্ট এবং চুপচাপ মনে হোক, এই বাহ্যিক রূপ দেখে ভুল করবেন না মোটেও। তার চিন্তাভাবনা চলছে ঝড়ের গতিতে। জীবনে যতই বাধা আসুক, ধীরস্থিরভাবে তা ভেঙে ফেলেন মকর পুরুষ। এ কারণে তাকে হতে দেখা যায় বদ্ধপরিকর এবং একই সাথে কঠোর পরিশ্রমী। অধ্যাবসায় হলো তার সবচাইতে বড় গুণ। বেশিরভাগ সময়ে সাফল্য অর্জনের দিকে মন থাকে এই পুরুষের। এ কারণে তার ব্যক্তিত্বে দেখা যায় প্রচ্ছন্ন পরিপক্কতা। তিনি ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন না, ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন।

কুম্ভ (জানুয়ারি ২০- ফেব্রুয়ারি ১৮) : প্রথম দেখায় আন্তরিক মনে হবে কুম্ভ রাশির পুরুষকে। কিন্তু তাতে মনে করবেন না তিনি একেবারেই নরম-সরম। তার হাসিখুশি মুখের পেছনে কাজ করছে প্রখর বুদ্ধিমত্তা। নিজের পক্ষে যতটা সম্ভব, পৃথিবীতে ততটাই ভালো কজ করে রেখে যেতে চান তিনি, আর সেটা করেনও সৃজনশীলতার মধ্য দিয়ে। অদ্ভুত কিছু অভ্যাস থাকতে পারে তাদের। জলের মতোই পরিবর্তনশীল তাদের প্রকৃতি। কখনো হয়ে থাকেন অসম্ভব রকমের একগুঁয়ে। কুম্ভ পুরুষের অনেক বন্ধু থাকতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তিনি খুব খোলামেলা। বেশিরভাগ সময়েই বন্ধুরা ঠিক জানেন না তিনি আসলে কেমন। তার অনুভূতি হতে পারে লুকানো, তার প্রতিক্রিয়া জটিল। তার একেবারে কাছের মানুষ হয়ে ওঠা খুবই কঠিন, এবং তা করতে পারলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করে নেবেন।

মীন (ফেব্রুয়ারি ১৯- মার্চ ২০) : মীন রাশির পুরুষের মাঝে অন্যান্য রাশির বৈশিষ্ট্যের মিশ্রণ দেখা যায়। পৃথিবীর দিকে খুব বেশি নজর থাকে না তার। তার মানে এই, যে তিনি সবকিছুর অন্তর্নিহিত দিকের প্রতি বেশি খেয়াল করেন। আত্মিক চিন্তাভাবনা করে থাকেন প্রায়শই। মীন পুরুষের সাথে কথা বলার সময় আপনার মনে হতে পারে আপনি দুইজন আলাদা মানুষের সাথে কথা বলছেন। অথব এমন একজন আছে আপনার সামনে যার মন পড়ে আছে দুইটি আলাদা জগতে। মুহূর্তেই গোল্ডফিশ আবার মুহূর্তেই হাঙ্গর হয়ে উঠতে পারেন তিনি! বাইরে থেকে তাকে শান্ত মনে হলেও ঠিক সেই মুহূর্তে হয়তো তার মাঝে চলছে তীব্র অনুভুতির খেলা। তাকে মনে হতে পারে রহস্যময়, কারণ তার মনে কি চলছে সেটা অনেক সময়েই অন্যদের জন্য, এমনকি তার নিজের জন্যেও দুর্বোধ্য। সাধারণত নিজেদের এই বিচিত্র সব অনুভূতি তারা প্রকাশ করে থাকেন শিল্প-সাহিত্যের মাধ্যমে এবং সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে অন্যান্য রাশির চাইতে মীন পুরুষ বেশি সফল হয়ে থাকেন।