নিজের সঙ্গীনি কুমারী কিনা তা জানার আগ্রহ প্রায় অনেকে পুরুষেরই থাকে। এমন কি এই বিষয়টি তাদেরকে বেশ দুশ্চিন্তায় ভোগায়। এখন বলুন এটা আপনার খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি নাকি ভাল? এমন দৃষ্টিভঙ্গি আপনার থেকে থাকলে নীচের বিষয়গুলো বুঝে আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন আপনার নিজের কোন ভুল ছিল কিনা বোঝায়।
অনেকে আছেন যার তার সঙ্গিনীর সতীত্ব ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে চান। এক্ষেত্রে তাদের ধারনা সতিচ্ছেদ ঠিক থাকলে সঙ্গিনী সতী। কিন্তু তাদের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ সতীচ্ছেদ ছিড়ে গেলেই যে তা অন্য পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কের কারণে হয়েছে তা কিন্তু নয়।
আবার অনেকে মনে করেন প্রথম মিলনে সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে রক্তপাত হয়। এই ধারণাটাও কিন্তু ভুল। অনেক মেয়ের সতীচ্ছেদ পূর্বে ছিঁড়ে না থাকলেও প্রথম মিলনে ছিঁড়তে পারে কিন্তু রক্তপাত হয় না। কুমরীর সতীচ্ছেদ বিভিন্ন কারণে ছিঁড়ে যেতে পারে। তবে একজন চিকিৎসকই সঠিকভাবে বলতে পারেন যে, কোন মেয়ের সতীচ্ছেদ ছিড়ে গেছে কিনা। আসুন তাহলে জেনে নেই কি কি কারণে মেয়েদের সতীচ্ছেদ সম্পর্কিত বাস্তব কিছু তথ্য-
* প্রত্যেক ১০০০ মেয়ে বাচ্চার মধ্যে কমপক্ষে ১ জন ভুমিষ্ট হয় সতিচ্ছেদ ছাড়াই।
* ১০০ জনের ভিতর ৪০ জন নারী প্রথম বার মিলনে রক্তপাত হয় না।
* সাঁতার, খেলাধূলা বা অন্য কোন কারণে সতীচ্ছেদ নষ্ট হতে পারে।
* সতীচ্ছেদে একটি ছোট ছিদ্র থাকে। যেটি (periods)মাসিকের সময় period pain ও রক্ত ধারা প্রবাহিত হওয়ার জন্য স্বভাবিক থেকে একটু বড় হয়।
* যদি টেমপন’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যেতে পারে।
* সতীচ্ছেদ ছিঁড়লেই যে রক্ত ক্ষরণ হবে এমন বাধ্যবধকতা নেই। রক্তক্ষরণ ছাড়াই সতীচ্ছেদ ছিঁড়ে যেতে পারে।
পুরুষতান্ত্রিক এ সমাজ ব্যবস্থায় নারীর সতীত্ব ঠিক কিনা এ প্রশ্ন করা নারীকে অপমান করার শামিল। পুরুষ বা নারীর সতীত্ব ঠিক কিনা এটা নিজেরা পারষ্পরিক বোঝাপড়া ও বিশ্বাস থেকে ঠিক করে নিন।
